রাজশাহী মহানগরীতে পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২জন মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা হতে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকা হতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীরা হলো: রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা গ্রামের মৃত সামাদের ছেলে মো: শামসুল হক (৫২), একই থানার সাধুর মোড় গ্রামের মো: মোক্তার হোসেনের ছেলে মো: আবিদ হোসেন (৩০), শিরোইল গ্রামের রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে দেবাশীষ সরকার (৩৭), এয়ারপোর্ট থানা মাঝিগ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে মেছের খান ওরফে বাবু (২৭), একই গ্রামের মো: মজিবুর রহমানের ছেলে মো: সাবিরুল ইসলাম (৩৮) ও মো: আ: সাত্তারের ছেলে মো: গোলাম রব্বানী (৪৭), মতিহার থানার হরিজন পল্লি (রা:বি:) এলাকার মৃত শ্রী অনিল চন্দ্র সরকারের ছেলে শ্রী অভয় কুমার সরকার ওরফে বিজয় (৩৯), শাহমখদুম থানার গাংপাড়া গ্রামের মো: মনির উদ্দিনের ছেলে মো: জাহাঙ্গীর (২৭), একরাম আলীর ছেলে মো: তাননিন হোসেন (২৪), বাবু ছেলে রাব্বি (২৩), মো: আশরাফ কবিরাজের ছেলে মো: রনি (২৭) এবং মো: আসলামের ছেলে মো: রকি ওরফে বিশাল (২৩)।
সোমবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: শামসুল হককে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৪ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে মীরের চক এলাকার ১টি নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর নিচতলায় অভিযান চালিয়ে মো: আবিদ হোসেন ও দেবাশীষ সরকারকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আবিদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৬৫০ টাকা এবং দেবাশীষের কাছ থেকে নগদ ৫ হাজার ১১০ টাকা জব্দ করা হয়।
তাছাড়াও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে মাঝিগ্রামের মেছের খান ওরফে বাবু এর বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাবু, মো: সাবিরুল ইসলাম ও মো: গোলাম রব্বানীকে গ্রেপ্তার করে। এসময় সাবিরুলের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং রব্বানীর হেফাজত থেকে ৭ পিস ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ সকাল আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে হরিজন পল্লি (রা:বি:) এলাকার অভিযান চালিয়ে শ্রী অভয় কুমার সরকার ওরফে বিজয়কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে আরএমপি’র বিশেষ মাদকবিরোধী টিম শাহমখদুম থানার গাংপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: জাহাঙ্গীর, মো: তাননিন হোসেন, রাব্বি, মো: রনি ও মো: রকি ওরফে বিশালকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ৫৭০ টাকা এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে সোমবার সকালে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা হতে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকা হতে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মাদক কারবারীরা হলো: রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া থানার হাজরাপুকুর ডাবতলা গ্রামের মৃত সামাদের ছেলে মো: শামসুল হক (৫২), একই থানার সাধুর মোড় গ্রামের মো: মোক্তার হোসেনের ছেলে মো: আবিদ হোসেন (৩০), শিরোইল গ্রামের রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে দেবাশীষ সরকার (৩৭), এয়ারপোর্ট থানা মাঝিগ্রামের মৃত আজাহার আলীর ছেলে মেছের খান ওরফে বাবু (২৭), একই গ্রামের মো: মজিবুর রহমানের ছেলে মো: সাবিরুল ইসলাম (৩৮) ও মো: আ: সাত্তারের ছেলে মো: গোলাম রব্বানী (৪৭), মতিহার থানার হরিজন পল্লি (রা:বি:) এলাকার মৃত শ্রী অনিল চন্দ্র সরকারের ছেলে শ্রী অভয় কুমার সরকার ওরফে বিজয় (৩৯), শাহমখদুম থানার গাংপাড়া গ্রামের মো: মনির উদ্দিনের ছেলে মো: জাহাঙ্গীর (২৭), একরাম আলীর ছেলে মো: তাননিন হোসেন (২৪), বাবু ছেলে রাব্বি (২৩), মো: আশরাফ কবিরাজের ছেলে মো: রনি (২৭) এবং মো: আসলামের ছেলে মো: রকি ওরফে বিশাল (২৩)।
সোমবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার (সদর), মোঃ গাজিউর রহমান।
তিনি জানান, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে চন্দ্রিমা থানা পুলিশ ছোটবনগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: শামসুল হককে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ৪ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ একই তারিখ রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে মীরের চক এলাকার ১টি নির্মাণাধীন বিল্ডিং এর নিচতলায় অভিযান চালিয়ে মো: আবিদ হোসেন ও দেবাশীষ সরকারকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা মোট ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও আবিদের কাছ থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৩ হাজার ৬৫০ টাকা এবং দেবাশীষের কাছ থেকে নগদ ৫ হাজার ১১০ টাকা জব্দ করা হয়।
তাছাড়াও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ বিকাল আনুমানিক সোয়া ৫টার দিকে মাঝিগ্রামের মেছের খান ওরফে বাবু এর বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাবু, মো: সাবিরুল ইসলাম ও মো: গোলাম রব্বানীকে গ্রেপ্তার করে। এসময় সাবিরুলের হেফাজত থেকে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা ১৫ পিস ট্যাপেন্টাডল এবং রব্বানীর হেফাজত থেকে ৭ পিস ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে মতিহার থানার মির্জাপুর পুলিশ ফাঁড়ি একই তারিখ সকাল আনুমানিক পৌনে ৯টার দিকে হরিজন পল্লি (রা:বি:) এলাকার অভিযান চালিয়ে শ্রী অভয় কুমার সরকার ওরফে বিজয়কে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার হেফাজত থেকে বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে আরএমপি’র বিশেষ মাদকবিরোধী টিম শাহমখদুম থানার গাংপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: জাহাঙ্গীর, মো: তাননিন হোসেন, রাব্বি, মো: রনি ও মো: রকি ওরফে বিশালকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তাদের হেফাজত থেকে মোট ৫৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে মাদক বিক্রির নগদ ৫৭০ টাকা এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে সোমবার সকালে জেলহাজতে প্রেরণ করা করা হয়েছে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :